Breaking News
Home / বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / ফেসবুকে নারী কর্মীদের করুণ দশা!

ফেসবুকে নারী কর্মীদের করুণ দশা!

Loading...

বিশ্বের চাকরিপ্রার্থীদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্রতিষ্ঠানের তালিকার শীর্ষে রয়েছে ফেসবুক। মোটা অংকের বেতন, বিনামূল্যে লাঞ্চসহ নানা সুবিধা দিয়ে থাকে বিশ্বের বৃহত্তম সোশাল মিডিয়া প্লাটফর্ম। কিন্তু ফেসবুকের সাবেক এক কর্মীর ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন।

ফেসবুক ট্রেন্ডিং টিমের সাবেক এক কর্মী সম্পূর্ণ ভিন্ন কর্মপরিবেশের কথা ব্যক্ত করেছেন। সেখানে তারা ক্ষুব্ধ, বিষণ্ন এবং বাকশক্তিহীন হয়ে কাজ করে যেতেন।

ফেসবুকে যোগ দেওয়ার আগে একজন নিউজ কিউরেটর হিসাবে কাজ করতেন ওই নারী কর্মী। তিনি তুলে ধরেছেন ফেসবুকের বাজে ব্যবস্থাপনার কথা। সেখানে হুমকি, স্বজনপ্রীতি এবং লিঙ্গ বৈষম্যের সমস্যা প্রকট বলে জানান। এসব কারণেই ওই বিভাগের ৪০-৫০ জন কর্মীর মধ্যে ১৫ জন চাকরি ছেড়ে দেন ২০১৪ সালের পর থেকে। এর মধ্যে ১০ জনই নারী।

গার্ডিয়ানের জন্যে নাম না প্রকাশ করে ফেসবুকের ভেতরের খবর লিখেছেন তিনি। তিনি জানান, নারী কর্মীদের প্রতি ফেসবুক কর্তৃপক্ষের শোচনীয় ব্যবস্থাপনা সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক বিষয়। সেখানে পুরুষদের দাপট, নারীরা অসহায়।

অনেক নারীই বিভিন্ন বিভাগের ব্যবস্থাপক, এডিটর বা সুপারভাইজারের মাধ্যমে লিঙ্গ বৈষম্যের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন। কিন্তু কোনো সমাধানই মেলেনি তাদের।

তিনি আরো জানান, ফেসবুকে কাজের অভিজ্ঞতা তার জন্যে আতঙ্ক হয়ে থাকবে। সেখানে তিনি নিজের মতামত দিতে দারুণ ভয় পেতেন। মাথায় ভালো আইডিয়া থাকলেও তা নিয়ে কথা বলার মতো পরিবেশ তিনি পাননি।

এই কর্মী ফেসবুকের এডিটরিয়ালের গুণগত মান নিয়েও সমালোচনা করেন। তারা কর্মীদের টার্গেট পূরণ করতে প্রচণ্ড চাপ দিতেন। অথচ সময়সূচি বা কার্যসূচি নির্ধারণে কোনো বিবেচনাবোধ ছিল না তাদের মাঝে। এই বিভাগকে অন্যান্য বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হতো না। এমনকি ফেসবুকের কোনো অনুষ্ঠানেও তাদের অংশগ্রহণ নিষেধ ছিল।

আরো কয়েকজন সাবেক কর্মীর সমালোচনায় ফেসবুকের ব্যবস্থাপনার বিষয়টি সামনে চলে এসেছে। তারা জানান, নিউজ মডিউলে নির্দিষ্ট বিষয় যোগ করতে তাদের ওপর নির্দেশ আসতো। এমনকি তা দেওয়ার মতো না হলেও তারা দিতে বাধ্য হতেন। তাদের ফেসবুক সম্পর্কিত খবর দিতে নিষেধ করা হয়েছিল। পাশাপাশি রক্ষণশীল খবর প্রচার করতে বলা হতো।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ফেসবুকের পক্ষ থেকে বলা হয়, আইনবিরুদ্ধ কোনো বিষয়ের স্থান নেই ফেসবুকে। কর্মক্ষেত্রে এবং এ-সংক্রান্ত পরিস্থিতিতে ফেসবুক নীতিবিরুদ্ধ কোনো কাজও করে না। সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট

Loading...

Check Also

৩৫০ বছর আগেও ছিল আইফোন!

Loading... স্টিভ জবসের পরবর্তীতে যোগ্য নেতৃত্বে এসেছেন অ্যাপলের বর্তমান প্রধান কার্যনির্বাহী টিম কুক। এই হর্তাকর্তাকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

[X]
Advertise here